আসসালামু আলাইকুম! আশা করি ভালো আছেন।
আমরা অনেকেই আছি সোশ্যাল মিডিয়াতে ভিডিও তৈরি করার জন্য ভালো একটা এডিটিং অ্যাপ খুঁজি। কিন্তু গুগল প্লে স্টোরে অনেক ধরনের ভিডিও এডিটিং অ্যাপস আছে কিন্তু সেগুলো ফ্রি ভার্সন থাকে আর প্রোভার্সন নিতে হলে সাবস্ক্রিপশন দিয়ে ব্যবহার করতে হয়।
এখন আমরা জেনে আসি এই অ্যাপে কি কি ধরনের ফিচার আছে এবং সুবিধা আছে।
আজকাল সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করা হয়ে উঠেছে একটা মজার শখ, কিন্তু এডিটিং-এর ঝামেলা দেখে অনেকেই হাল ছেড়ে দেয়। এখানেই আসে ইনশট অ্যাপের মতো একটা দারুণ টুল, যা তোমার ফোনেই সবকিছু সম্ভব করে তোলে। ইনশট মূলত একটা মোবাইল ভিডিও এডিটর, যা শুরু হয়েছে সাধারণ কাটিং-মার্জিং ফিচার দিয়ে, কিন্তু এখন এর সুবিধা এতটা বেড়েছে যে প্রফেশনাল লেভেলের কাজও হয়ে যায়। এটা তোমাকে ক্লিপ কাটা, ইফেক্ট যোগ করা, মিউজিক মিশানো—সবকিছুতে সাহায্য করে, যাতে তোমার ভিডিও দেখতে চমৎকার লাগে।
ইনশট-এর মূল ফিচারগুলো: কী কী পাবে তুমি?
ইনশট-এর সবচেয়ে বড় গুণ হলো এর সরলতা। অ্যাপটা খুললেই তুমি ভিডিও, ফটো বা কোলাজ মোডে যেতে পারো। ভিডিও এডিটিং-এর ক্ষেত্রে এর কিছু হাইলাইট ফিচার হলো:
কাটা-জোড়া এবং স্পিড কন্ট্রোল: তোমার ক্লিপগুলো সহজেই ট্রিম করতে পারো, মাল্টিপল ক্লিপ মার্জ করতে পারো। স্লো-মোশন বা ফাস্ট-ফরোয়ার্ড করে ভিডিওকে নতুন করে তৈরি করা যায়—যেমন একটা ডান্স ক্লিপকে আরও ড্রাম্যাটিক করতে।
ইফেক্টস এবং ফিল্টার: অসংখ্য ফিল্টার আছে, যা তোমার ভিডিওকে ভিনটেজ লুক দিতে পারে বা কালার অ্যাডজাস্ট করে (কনট্রাস্ট, স্যাচুরেশন, শ্যাডো) আরও জীবন্ত করে। এমনকি এআই-বেসড ইফেক্টস আছে, যেমন গ্লিটার বা ডিসটর্ট ট্রানজিশন, যা তোমার কনটেন্টকে ট্রেন্ডি করে তোলে।
টেক্সট, স্টিকার এবং অ্যানিমেশন: টেক্সট যোগ করে অটো-ক্যাপশন তৈরি করতে পারো—এমনকি বিভিন্ন ভাষায়। স্টিকার, ইমোজি বা অ্যানিমেটেড টেক্সট দিয়ে ভিডিওকে ফানি বা প্রফেশনাল লুক দাও। পিকচার-ইন-পিকচার ফিচার দিয়ে একটা ভিডিওর উপর আরেকটা ছবি বা ক্লিপ রাখতে পারো।
মিউজিক এবং সাউন্ড: অ্যাপের ভিতরে একটা বড় মিউজিক লাইব্রেরি আছে, যেখান থেকে রয়্যালটি-ফ্রি ট্র্যাক নিতে পারো। তোমার নিজের গান যোগ করতে পারো, ভয়েসওভার রেকর্ড করতে পারো বা সাউন্ড ইফেক্ট মিশিয়ে ভিডিওকে আরও আকর্ষণীয় করতে পারো।
অন্যান্য সুবিধা: ফটো এডিটিং বা কোলাজ তৈরি করা যায়, এবং এক্সপোর্ট অপশন দিয়ে ইনস্টাগ্রাম, টিকটক বা ইউটিউবে সরাসরি শেয়ার করতে পারো। এটা সব ডিভাইসের রেশিও (যেমন 9:16 স্টোরি ফরম্যাট) সাপোর্ট করে।
এই ফিচারগুলোর কারণে ইনশট বিশেষ করে কনটেন্ট ক্রিয়েটর, ইনফ্লুয়েন্সার বা ছোট ব্যবসার লোকদের জন্য আদর্শ।
কেন বেছে নেবে Inshot ?
প্রোস এবং কনস
প্রোস (ভালো দিকগুলো):
ইজি টু ইউজ: ইন্টারফেসটা এতটা সিম্পল যে নতুনরাও কয়েক মিনিটে শিখে ফেলবে। ফোন বা ট্যাবলেটে সমানভাবে কাজ করে।
আমরা তো এই অ্যাপ সম্পর্কে সবকিছুই জেনে নিলাম, এখন এই ইনশট অ্যাপটি কিভাবে প্রোভার্সনে ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারি।
অ্যাপটি ডাউনলোড করতে নিচে ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করুন এবং ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন।
সর্বশেষ কথা হলো যে, আপনার গুগল প্লেস্টোরে গিয়ে অটো আপডেট এটা বন্ধ করে দিবেন।
এই একটি এডিটিং করতে হলে কোন ইন্টারনেট প্রয়োজন হবে না অফলাইনে ভিডিও এডিটিং করতে পারবেন।
আমাদের এই ইনশট প্রোভার্সনটি ব্যবহার করে যদি উপকৃত হয়ে থাকেন, তাহলে কমেন্টে মতামত জানাতে ভুলবেন না।
ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। আপনার দিনটি শুভ হোক।
Info!
ডাউনলোড করতে না করতে পারলে বা বুঝতে সমস্যা হলে, আমাদের ওয়েবসাইটে Chat করুন। ধন্যবাদ।
