![]() |
| যে দোয়া পড়লে মহান আল্লাহ বান্দার ডাক ফিরিয়ে দেন না |
যে দোয়ার মাধ্যমে ডাকলে মহান আল্লাহ বান্দার কোনো আবেদনই ফিরিয়ে দেন না
মানবজীবন মানেই চাওয়া-পাওয়া, আশা-আকাঙ্ক্ষা আর নানা রকম পরীক্ষার এক দীর্ঘ সমীকরণ। কখনো আমরা হালাল রিজিকের সন্ধানে, কখনো শারীরিক সুস্থতার জন্য, আবার কখনোবা মানসিক প্রশান্তি ও প্রিয়জনের কল্যাণের খোঁজে মহান রবের মুখাপেক্ষী হই। বিপদ-আপদ কিংবা চরম হতাশার মুহূর্তে প্রতিটি মুমিন হৃদয়েই একটি প্রশ্ন জাগে— এমন কোনো বিশেষ আমল বা দোয়া কি আছে, যার উসিলায় ডাকলে দয়াময় আল্লাহ বান্দার কোনো প্রার্থনাই ফিরিয়ে দেন না?
হ্যাঁ, ইসলামি শরিয়তে এবং প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর হাদিসে এমন এক অমূল্য দোয়ার সন্ধান পাওয়া যায়। বলা হয়ে থাকে, এই দোয়ার মাধ্যমে গভীর একাগ্রতায় প্রার্থনা করলে রাব্বুল আলামিন বান্দার ডাকে অবশ্যই সাড়া দেন।
পবিত্র সেই দোয়াটি হলো—
হাদিসের আলোকে দোয়ার ফজিলত
হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে, এক সাহাবি এই বাক্যগুলো দ্বারা আল্লাহর কাছে দোয়া করছিলেন। তা শুনে বিশ্বনবী (সা.) ইরশাদ করেন—
অর্থ: “নিশ্চয়ই সে আল্লাহ তাআলাকে তাঁর ‘ইসমে আজম’ বা সর্বশ্রেষ্ঠ নামের মাধ্যমে ডেকেছে। এই নামের মাধ্যমে ডাকলে তিনি অবশ্যই সাড়া দেন এবং এই নামের মাধ্যমে কোনো কিছু চাওয়া হলে তিনি তা দান করেন।” (সুনানে আবু দাউদ: ১৪৯৫, জামে তিরমিজি: ৩৫৪৪, সুনানে নাসাঈ: ১৩০০)
কেন এই দোয়াটি পড়বেন?
দোয়া নিছক কিছু আরবি শব্দের সমষ্টি নয়; এটি হলো রবের দরবারে বান্দার বিনম্র আত্মসমর্পণ এবং হৃদয়ের গভীর আকুতি। দুনিয়ার সব দরজা যখন বন্ধ মনে হয়, তখনও আরশের মালিকের রহমতের দরজা খোলা থাকে।
নামাজের আগে-পরে, সিজদাতে কিংবা দিনের যেকোনো সময় পবিত্র ও একনিষ্ঠ অন্তরে এই দোয়াটি পড়া যেতে পারে। জীবনে যত বড় সংকট, হতাশা বা অপূর্ণতাই আসুক না কেন, ইসলামিক স্কলাররা এই ইসমে আজম পাঠ করে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আমাদের সকলের জায়েজ চাওয়াগুলোকে কবুল করে নিন।
